সে দৌড়ায়, সে ছোটে-
সে পরে যায় তবু থামে না।
সে ওঠে, সে খাটে –
সে ফসল ফলায় মাঠে,
তবু পেটের জ্বালা জুড়োয় না।
ছোট ঘরে কষ্টে চলে সংসার,
ছেলে, স্ত্রী কাঁদে তাদের পেটে খিদে,
তাকে ছায়া দেয় অনাহার।
তাকে গ্রাস করে মৃত শহরের-
কালো অলি-গলির অন্ধকার।
সে লড়াই করে, বাঁচতে চায় বারবার;
সে হাতড়ায়, প্রাণপণে খরকুটো ধরে-
চেষ্টা চালায় বাঁচবার।
অবশেষে রুগ্ন জীর্ণ শরীরের-
রক্ত মিশ্রিত শক্তির শেষ বিন্দু,
চিৎকার করে বলে ওঠে-
সময় হয়েছে! সময় হয়েছে!
দিনমজুরি করবার।
অতএব, আর বাঁচা হইলো না,
সর্বশেষে, তীক্ষ্ণ জয়ধ্বনি দেয়-
অপরাজেয় অনাহার।


